ব্লগ কীভাবে শুরু করবেন: ডোমেইন, হোস্টিং আর WordPress সেটআপ

এই লেখায় যা আছে (২২)
- ব্লগ শুরু করতে আসলে কী কী লাগে?
- ব্লগ বানাতে কত টাকা লাগে?
- ডোমেইন নাম কীভাবে ঠিক করবেন?
- হোস্টিং বাছাইয়ের সময় কী দেখবেন?
- ধাপে ধাপে WordPress সেটআপ কীভাবে করবেন?
- ধাপ ১: ডোমেইন হোস্টের সাথে যুক্ত করুন
- ধাপ ২: হোস্টের ইনস্টলার দিয়ে WordPress বসান
- ধাপ ৩: SSL চালু করুন
- ধাপ ৪: মূল সেটিংস ঠিক করুন
- ধাপ ৫: থিম, প্লাগইন আর ক্যাটাগরি
- ধাপ ৬: দরকারি পেজ বানান
- ধাপ ৭: Google Search Console যুক্ত করুন
- একটি উদাহরণ: প্রথম দুই সপ্তাহের কাজের তালিকা
- নতুনরা সাধারণত কোন ভুলগুলো করেন?
- নতুন সাইটের নিরাপত্তায় ন্যূনতম কী করবেন?
- এরপর কী করবেন
- সচরাচর জিজ্ঞাসা
- ফ্রি ব্লগ দিয়ে শুরু করা যায় না?
- ডোমেইন আর হোস্টিং একই কোম্পানি থেকে কিনব?
- WordPress চালাতে কোডিং জানতে হয়?
- সাইট বানানোর কতদিন পর Google এ দেখা যাবে?
- তথ্যসূত্র
সংক্ষেপে: ব্লগ শুরু করতে তিনটি জিনিস লাগে: একটি ডোমেইন (বছরে প্রায় ১১ থেকে ২০ মার্কিন ডলার), একটি হোস্টিং প্ল্যান (শুরুর শেয়ার্ড প্ল্যান মাসে কয়েক ডলার, তবে রিনিউ দাম বেশি) আর ফ্রি WordPress সফটওয়্যার। হোস্টের ইনস্টলার দিয়ে WordPress বসান, SSL চালু করুন, Permalink ঠিক করুন, একটি হালকা থিম আর কয়েকটি দরকারি প্লাগইন নিন, তারপর লেখা শুরু করুন।
ব্লগ শুরু করতে আসলে কী কী লাগে?
একটি সেলফ-হোস্টেড ব্লগের চারটি অংশ। ডোমেইন হলো আপনার সাইটের ঠিকানা, যেমন example.com। হোস্টিং হলো ভাড়া করা সার্ভার, যেখানে সাইটের ফাইল আর ডেটাবেস থাকে। WordPress হলো ফ্রি ও ওপেন সোর্স CMS, যা দিয়ে আপনি পোস্ট লিখবেন আর সাইট চালাবেন। আর থিম ও প্লাগইন ঠিক করে সাইট দেখতে কেমন হবে আর কী কী কাজ করবে।
একটা বিভ্রান্তি আগেই পরিষ্কার করা দরকার। WordPress.org থেকে পাওয়া সফটওয়্যার আপনি নিজের হোস্টিংয়ে বসান, পুরো নিয়ন্ত্রণ আপনার। WordPress.com একটি হোস্টেড সার্ভিস, যেখানে প্ল্যানভেদে প্লাগইন, থিম আর বিজ্ঞাপনের স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে। যারা পরে AdSense বা অ্যাফিলিয়েট দিয়ে মনিটাইজ করতে চান, তাদের জন্য সাধারণত সেলফ-হোস্টেড WordPress বেশি নমনীয়।

ব্লগ বানাতে কত টাকা লাগে?
দাম রেজিস্ট্রার, হোস্ট, অফার আর ডলারের রেটভেদে বদলায়, তাই নির্দিষ্ট অঙ্ক না দিয়ে পরিসর দিচ্ছি। নিচের পরিসরগুলো অক্টোবর ২০২৬ এর শুরুতে অফিসিয়াল পেজ দেখে নেওয়া। কেনার দিন নিজে আবার মিলিয়ে নিন।
| খরচের খাত | সাধারণ পরিসর | যা খেয়াল রাখবেন |
|---|---|---|
| .com ডোমেইন | বছরে প্রায় ১১ থেকে ২০ মার্কিন ডলার | প্রথম বছরের ছাড় থাকে, রিনিউ দাম দেখুন। Verisign এর পাইকারি দামই এখন ১০ ডলারের বেশি, তাই এর চেয়ে অনেক কম রিনিউ দাম টেকসই নয়। |
| শেয়ার্ড হোস্টিং (শুরুর প্ল্যান) | অফারে মাসে প্রায় ৩ থেকে ৪ ডলার, রিনিউতে প্রায় ১১ থেকে ১৭ ডলার | কম দাম সাধারণত ৪৮ মাস একসাথে অগ্রিম দিলে। রিনিউ দাম কয়েক গুণ হতে পারে। |
| WordPress | ফ্রি | সফটওয়্যার ফ্রি, খরচ শুধু হোস্টিংয়ের। |
| থিম ও প্লাগইন | শুরুতে ফ্রি দিয়েই চলে | প্রিমিয়াম পরে, দরকার প্রমাণ হলে। |
অর্থাৎ প্রথম বছরের নগদ খরচের বড় অংশ হোস্টিংয়ের অগ্রিম পেমেন্ট। আপনার বাজেট কম হলে ছোট মেয়াদের প্ল্যান নিতে পারেন, মাসিক দাম বেশি পড়বে কিন্তু একসাথে কম টাকা যাবে। হিসাব করার সময় সবসময় “মোট কত টাকা দিচ্ছি, আর রিনিউতে কত হবে” এই দুটো সংখ্যা পাশাপাশি লিখুন।
ডোমেইন নাম কীভাবে ঠিক করবেন?
NShamimPRO এর ব্লগিং লাইভ প্রজেক্টে ডোমেইন ফাইনাল করার আগে DomainWheel এর মতো নাম জেনারেটর দিয়ে অপশন বের করা হয়, তারপর Namecheap এর মতো রেজিস্ট্রারে কিনে হোস্টের সাথে যুক্ত করা হয়। নাম বাছাইয়ে এই কয়েকটি নিয়ম কাজে দেয়:
- ছোট আর উচ্চারণে সহজ: কেউ মুখে শুনে টাইপ করতে পারবে কিনা পরীক্ষা করুন।
- নিশের সাথে মিল, কিন্তু খুব সরু নয়: “bestredrosepot” এর চেয়ে বাগান নিয়ে বড় একটা নাম ভালো, পরে বিষয় বাড়াতে পারবেন।
- হাইফেন আর সংখ্যা এড়ান: মুখে বলতে গেলে ভুল হয়।
- ট্রেডমার্ক যাচাই: নামে কোনো ব্র্যান্ডের নাম থাকলে পরে আইনি বা অ্যাফিলিয়েট সমস্যা হতে পারে।
- এক্সটেনশন: আন্তর্জাতিক পাঠকের জন্য .com সবচেয়ে পরিচিত। শুধু বাংলাদেশি পাঠক হলে অন্য এক্সটেনশনও চলে, তবে দাম আর রিনিউ নিয়ম আলাদা।
হোস্টিং বাছাইয়ের সময় কী দেখবেন?
WordPress এর অফিসিয়াল রিকোয়ারমেন্ট পেজ অনুযায়ী এখন সুপারিশকৃত হলো PHP 8.3 বা তার বেশি, MySQL 8.0 বা MariaDB 10.11 বা তার বেশি, আর HTTPS সাপোর্ট। পুরনো ভার্সন চললেও সেগুলো End Of Life, ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। WordPress Requirements পেজটা একবার দেখে নিন, তারপর হোস্টের প্ল্যান পেজে এই তিনটি জিনিস মিলিয়ে নিন।
এর বাইরে চারটি প্রশ্ন করুন: স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ আছে কি, ফ্রি SSL আছে কি, রিনিউ দাম কত, আর সাপোর্টে লাইভ চ্যাট আছে কি। সার্ভারের লোকেশন আপনার পাঠকের কাছাকাছি হলে ভালো, তবে CDN ব্যবহার করলে এই পার্থক্য কমে আসে। সাইট স্পিড নিয়ে বিস্তারিত পাবেন WordPress সাইট স্পিড ও Core Web Vitals লেখায়।

ধাপে ধাপে WordPress সেটআপ কীভাবে করবেন?
ধাপ ১: ডোমেইন হোস্টের সাথে যুক্ত করুন
হোস্ট আপনাকে দুটি nameserver দেবে। রেজিস্ট্রারের ড্যাশবোর্ডে ডোমেইনের Nameservers অংশে গিয়ে সেগুলো বসান (Namecheap এ অপশনটির নাম Custom DNS)। ছড়িয়ে পড়তে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা লাগতে পারে।
ধাপ ২: হোস্টের ইনস্টলার দিয়ে WordPress বসান
প্রায় সব হোস্টের প্যানেলে এক ক্লিকের WordPress ইনস্টলার থাকে। অ্যাডমিন ইউজারনেম হিসেবে “admin” দেবেন না, আর শক্ত পাসওয়ার্ড দিন। ম্যানুয়াল ইনস্টল করতে চাইলে WordPress এর অফিসিয়াল ইনস্টল গাইডে ধাপগুলো দেওয়া আছে।
ধাপ ৩: SSL চালু করুন
হোস্টের প্যানেল থেকে ফ্রি SSL চালু করুন, তারপর Settings > General এ WordPress Address আর Site Address দুটোই https দিয়ে শুরু হচ্ছে কিনা দেখুন।
ধাপ ৪: মূল সেটিংস ঠিক করুন
- Settings > General: Site Title আর Tagline দিন, Timezone ঢাকা করুন।
- Settings > Permalinks: “Post name” বেছে নিন, যাতে URL হয় /post-slug/। পরে বদলালে পুরনো লিংক ভাঙে, তাই প্রথম দিনেই করুন।
- Settings > Reading: “Discourage search engines from indexing this site” টিক দেওয়া থাকলে তুলে দিন। এই একটি বক্সের কারণে অনেক নতুন সাইট মাসের পর মাস Google এ আসে না।
- ডেমো পোস্ট “Hello world!” আর Sample Page মুছে দিন।
ধাপ ৫: থিম, প্লাগইন আর ক্যাটাগরি
কোর্সে হালকা থিম হিসেবে Astra দিয়ে ব্লগ ডিজাইন দেখানো হয়, আর SEO এর জন্য Rank Math। প্লাগইন কম রাখুন: একটি SEO প্লাগইন, একটি ব্যাকআপ, একটি সিকিউরিটি, আর দরকার হলে একটি ক্যাশিং প্লাগইন। শুরুতেই ৩ থেকে ৫টি মূল ক্যাটাগরি ঠিক করুন, কারণ ক্যাটাগরি থেকেই সাইটের কাঠামো আর ইন্টারনাল লিংক তৈরি হয়।
ধাপ ৬: দরকারি পেজ বানান
About, Contact আর Privacy Policy পেজ বানান। WordPress এর Settings > Privacy থেকে একটি Privacy Policy খসড়া পেজ পাওয়া যায়, সেটা নিজের সাইট অনুযায়ী সম্পাদনা করুন। AdSense এর আবেদনের আগে এই পেজগুলো থাকা কাজে দেয়, বিস্তারিত পাবেন AdSense অ্যাপ্রুভালের প্রস্তুতি লেখায়।
ধাপ ৭: Google Search Console যুক্ত করুন
সাইট লাইভ হলে Search Console এ ডোমেইন প্রপার্টি যোগ করে সাইটম্যাপ জমা দিন। কোন পেজ ইনডেক্স হলো আর কোন কিওয়ার্ডে ইমপ্রেশন আসছে, তা এখান থেকেই দেখবেন।
একটি উদাহরণ: প্রথম দুই সপ্তাহের কাজের তালিকা
ধরা যাক (কাল্পনিক উদাহরণ) আপনি ছাদবাগান নিয়ে একটি ব্লগ শুরু করছেন। কাজগুলো এভাবে ভাগ করা যায়:
| সময় | কাজ | শেষ হলো কীভাবে বুঝবেন |
|---|---|---|
| দিন ১ থেকে ২ | নিশ যাচাই, ২০টি কিওয়ার্ডের তালিকা | একটি শিটে কিওয়ার্ড, সার্চ ইনটেন্ট আর কম্পিটিটর লেখা আছে |
| দিন ৩ | ডোমেইন, হোস্টিং, WordPress, SSL | https দিয়ে সাইট খোলে |
| দিন ৪ | Permalink, Reading সেটিং, থিম, প্লাগইন | নতুন পোস্টের URL /post-name/ ধরনের |
| দিন ৫ | ক্যাটাগরি, About, Contact, Privacy Policy | মেনু থেকে সব পেজে যাওয়া যায় |
| দিন ৬ থেকে ১৪ | প্রথম ৪ থেকে ৬টি পোস্ট, Search Console | সাইটম্যাপ জমা হয়েছে, পোস্ট ইনডেক্সের অপেক্ষায় |
এই সময়সূচি একটা কাঠামো, নিয়ম নয়। কারো দুই দিনে হয়, কারো দুই সপ্তাহ লাগে। জরুরি হলো ধাপগুলোর ক্রম ঠিক রাখা: আগে নিশ ও কিওয়ার্ড, তারপর ডোমেইন। কোন বিষয়ে লিখবেন তা ঠিক না করে ডোমেইন কিনে ফেলা সবচেয়ে সাধারণ ভুল, তাই আগে ব্লগের নিশ বাছাই লেখাটা পড়ে নিন।
নতুনরা সাধারণত কোন ভুলগুলো করেন?
- শুধু প্রথম বছরের দাম দেখে হোস্ট কেনা: রিনিউয়ের সময় খরচ কয়েক গুণ হয়ে যায়।
- নাল বা ক্র্যাকড থিম ও প্লাগইন: এগুলোতে প্রায়ই ম্যালওয়্যার থাকে। ফ্রি ভার্সন অফিসিয়াল ডিরেক্টরি থেকে নিন।
- ডিজাইনে সপ্তাহের পর সপ্তাহ: পাঠক আর Google আসে কনটেন্টের জন্য। পরিষ্কার, দ্রুত, মোবাইলে পড়া যায় এমন হলেই শুরু করুন।
- ব্যাকআপ না রাখা: একটি প্লাগইন আপডেটেই সাইট ভাঙতে পারে।
- আপডেট ফেলে রাখা: WordPress কোর, থিম আর প্লাগইন নিয়মিত আপডেট করুন, অব্যবহৃত প্লাগইন মুছে দিন।
নতুন সাইটের নিরাপত্তায় ন্যূনতম কী করবেন?
কোর্সে WordPress সিকিউরিটি নিয়ে আলাদা লেসন আছে, আর এর মূল কথাগুলো ছোট তালিকায় আনা যায়। লগইনের জন্য লম্বা, ইউনিক পাসওয়ার্ড দিন আর দুই ধাপের যাচাই (2FA) চালু করুন। ভুল পাসওয়ার্ড দিয়ে বারবার চেষ্টা আটকানোর ব্যবস্থা রাখুন, অনেক সিকিউরিটি প্লাগইন বা হোস্ট এটা দেয়। সপ্তাহে অন্তত একবার স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ হচ্ছে কিনা দেখুন, আর ব্যাকআপ যেন শুধু একই সার্ভারে না থাকে। যত কম প্লাগইন, তত কম দুর্বল জায়গা: যে প্লাগইন ব্যবহার করছেন না, শুধু বন্ধ নয়, মুছে দিন। মাসে একবার Dashboard > Updates খুলে কোর, থিম আর প্লাগইন আপডেট করুন, বড় আপডেটের আগে ব্যাকআপ নিন।
এরপর কী করবেন
- নিশ আর প্রথম ২০টি কিওয়ার্ড ঠিক করুন, তারপরই ডোমেইন কিনুন।
- দুটি হোস্টের প্ল্যান পাশাপাশি রেখে মোট খরচ আর রিনিউ দাম লিখে তুলনা করুন।
- সেটআপের পর Settings > Reading আর Permalinks আবার যাচাই করুন।
- পুরো প্রক্রিয়া, ডোমেইন ফাইনাল করা থেকে সিকিউরিটি, ব্লগ ডিজাইন আর প্রথম কনটেন্ট পাবলিশ পর্যন্ত, NShamimPRO এর Blogging (AdSense ও Ezoic) Live Project কোর্সে ভিডিওতে ধাপে ধাপে দেখানো হয়েছে। কোর্সের রেকর্ডিং কয়েক বছর আগের, তাই প্যানেলের চেহারা এখন কিছুটা আলাদা হতে পারে, তবে ধাপগুলো একই।
- সেটআপ চেকলিস্ট হাতে রাখতে ফ্রি রিসোর্স পেজ দেখুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রি ব্লগ দিয়ে শুরু করা যায় না?
যায়, Blogger বা WordPress.com এর ফ্রি প্ল্যানে লেখা অনুশীলন করতে পারেন। তবে নিজের ডোমেইন না থাকলে সাইট সরানো, ব্র্যান্ড গড়া আর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ কঠিন, তাই দীর্ঘমেয়াদি ব্লগের জন্য নিজের ডোমেইন ভালো।
ডোমেইন আর হোস্টিং একই কোম্পানি থেকে কিনব?
কিনতে পারেন, ঝামেলা কম। আলাদা কিনলে হোস্ট বদলানোর সময় ডোমেইন আটকে থাকে না, তাই অনেকে ডোমেইন একটি রেজিস্ট্রারে রেখে হোস্টিং আলাদা নেন।
WordPress চালাতে কোডিং জানতে হয়?
না, পোস্ট লেখা, থিম আর প্লাগইন বসানো সবই ড্যাশবোর্ড থেকে হয়। HTML এর সামান্য ধারণা থাকলে ছোটখাটো সমস্যা নিজে ঠিক করতে সুবিধা হয়।
সাইট বানানোর কতদিন পর Google এ দেখা যাবে?
নির্দিষ্ট সময় নেই। নতুন সাইটের পেজ ক্রল ও ইনডেক্স হতে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে, আর ভালো র্যাঙ্কিং আসতে সাধারণত আরও অনেক বেশি সময় লাগে।
তথ্যসূত্র
- WordPress Requirements, WordPress.org, দেখা হয়েছে ২ অক্টোবর ২০২৬
- How to install WordPress, WordPress Developer Resources, দেখা হয়েছে ২ অক্টোবর ২০২৬
- Hostinger Web Hosting প্ল্যান ও রিনিউ দাম, দেখা হয়েছে ২ অক্টোবর ২০২৬
- .com পাইকারি দাম বৃদ্ধি নিয়ে Openprovider, দেখা হয়েছে ২ অক্টোবর ২০২৬
বিষয়: Domain


