মূল কনটেন্টে যান
NShamimPRO Marketing through AI: ইতিহাস শুরু এখানেই

Google AdSense অ্যাপ্রুভাল: নিয়ম, প্রস্তুতি আর সাধারণ ভুল

ইটের দেয়ালে খোলা খিলান দরজা দিয়ে সোনালি আলো, ওপরে টিক চিহ্নের সিল
এই লেখায় যা আছে (১৯)
  1. AdSense এর অফিসিয়াল শর্তগুলো কী?
  2. Low value content মানে কী, আর কেন রিজেক্ট হয়?
  3. আবেদনের আগে সাইট কতটা তৈরি থাকা দরকার?
  4. ধাপে ধাপে আবেদন কীভাবে করবেন?
  5. ধাপ ১: অ্যাকাউন্ট খুলুন
  6. ধাপ ২: সাইট যোগ করুন
  7. ধাপ ৩: সাইট যুক্ত করুন
  8. ধাপ ৪: Request review দিন
  9. ধাপ ৫: EEA, UK ও সুইজারল্যান্ডের ট্রাফিক থাকলে CMP
  10. AdSense রিজেক্ট হলে কী করবেন?
  11. অ্যাপ্রুভালের পর প্রথম সপ্তাহে কী ঠিক করবেন?
  12. অ্যাপ্রুভালের পর কোন ভুলে অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিতে পড়ে?
  13. এরপর কী করবেন
  14. সচরাচর জিজ্ঞাসা
  15. AdSense রিভিউতে কতদিন লাগে?
  16. সাবডোমেইন বা Blogger সাইট দিয়ে AdSense পাওয়া যায়?
  17. AdSense থেকে টাকা কখন পাওয়া যায়?
  18. একাধিক সাইটের জন্য কি আলাদা AdSense অ্যাকাউন্ট লাগে?
  19. তথ্যসূত্র

সংক্ষেপে: Google AdSense এর অফিসিয়াল শর্তে নির্দিষ্ট পোস্ট সংখ্যা বা ট্রাফিকের সীমা নেই। লাগে: আপনার বয়স অন্তত ১৮, সাইটের HTML এ অ্যাক্সেস, মৌলিক ও মানসম্মত কনটেন্ট, পরিষ্কার নেভিগেশন, পুরোপুরি তৈরি সাইট আর Program policies মেনে চলা। Sites মেনু থেকে সাইট যোগ করে কোড বসান ও Request review দিন। রিভিউ সাধারণত কয়েক দিন, কখনো ২ থেকে ৪ সপ্তাহ লাগে।

AdSense এর অফিসিয়াল শর্তগুলো কী?

Google এর AdSense eligibility requirements পেজে শর্তগুলো ছোট করে বলা আছে। সারকথা হলো:

  • বয়স: আবেদনকারীর বয়স অন্তত ১৮ বছর হতে হবে। কম বয়সী হলে অভিভাবক নিজের নামে আবেদন করতে পারেন।
  • সাইটের মালিকানা: যে সাইট জমা দিচ্ছেন, তার HTML সোর্স কোডে আপনার অ্যাক্সেস থাকতে হবে।
  • কনটেন্ট: কনটেন্ট হতে হবে মানসম্মত, মৌলিক এবং পাঠক টানার মতো।
  • পলিসি: সাইন আপের আগেই সাইটকে AdSense Program policies মানতে হবে, আর পলিসি বদলালে সেটা জেনে রাখার দায়িত্ব আপনার।

এখানে “কমপক্ষে ৩০টি পোস্ট” বা “দৈনিক এত ভিজিটর” জাতীয় কোনো সংখ্যা নেই। ইন্টারনেটে যে সংখ্যাগুলো ঘোরে, সেগুলো অভিজ্ঞতা থেকে বানানো নিয়ম, Google এর নিয়ম নয়। বাংলা ভাষা AdSense এর সমর্থিত ভাষার তালিকায় আছে, তাই বাংলা ব্লগ নিয়েও আবেদন করা যায়।

পলিসি বদলাতে পারে। আবেদনের দিন অফিসিয়াল পেজটা আবার পড়ে নিন, এই লেখার ওপর ভরসা করে নয়।

ম্যাগনিফাইং গ্লাসের নিচে Terms and Conditions লেখা কাগজ, AdSense এর শর্তগুলো খুঁটিয়ে পড়ার মতো

Low value content মানে কী, আর কেন রিজেক্ট হয়?

Low value content হলো এমন কনটেন্ট, যা পড়ে পাঠক নতুন কিছু পায় না: অন্য সাইট থেকে ঘুরিয়ে লেখা, খুব ছোট পোস্ট, একই কথা বারবার, বা শুধু ছবি ও ভিডিও। Google এর অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ না হওয়ার কারণ পেজে কয়েকটি মূল কথা আছে:

  • সাইটে যথেষ্ট মানসম্মত কনটেন্ট থাকতে হবে, যাতে পাঠক অর্থপূর্ণ অভিজ্ঞতা পায় আর প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন দেখানো যায়।
  • কনটেন্ট হতে হবে ইউনিক আর প্রাসঙ্গিক, যাতে মানুষের সাইটে আসার একটা কারণ থাকে।
  • সাইট পুরোপুরি তৈরি ও চালু হওয়ার পরই সাইন আপ করুন, “under construction” অবস্থায় নয়।
  • অ্যাফিলিয়েট কনটেন্ট সাইটের ছোট অংশ হওয়া উচিত, যদি তা বাড়তি কিছু না যোগ করে।
  • পরিষ্কার নেভিগেশন আর গোছানো কাঠামো থাকতে হবে।
  • একজনের একটির বেশি AdSense অ্যাকাউন্ট রাখা নিষেধ।

আবেদনের আগে সাইট কতটা তৈরি থাকা দরকার?

নিচের চেকলিস্টে প্রথম কলামে কাজ, দ্বিতীয় কলামে সেটা অফিসিয়াল শর্ত নাকি অভিজ্ঞতা থেকে আসা ভালো অভ্যাস, তা আলাদা করে দেখানো হলো।

কাজ ভিত্তি কেন দরকার
মৌলিক, পূর্ণাঙ্গ পোস্ট যা নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দেয় অফিসিয়াল শর্ত কনটেন্টের মান দেখেই সিদ্ধান্ত হয়
মেনু, ক্যাটাগরি, সার্চ, কোনো ভাঙা লিংক নেই অফিসিয়াল শর্ত (নেভিগেশন) রিভিউয়ার সাইট ঘুরে দেখতে পারেন
কোনো খালি পেজ, “Coming soon” বা ডেমো কনটেন্ট নেই অফিসিয়াল শর্ত (সাইট তৈরি) অসম্পূর্ণ সাইট রিজেক্টের সাধারণ কারণ
About, Contact, Privacy Policy পেজ ভালো অভ্যাস বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়, আর বিজ্ঞাপন ও কুকি নিয়ে পাঠককে জানানো যায়
প্রতি ক্যাটাগরিতে কয়েকটি লেখা, মোট ২০ থেকে ৩০টি শক্ত পোস্ট অভিজ্ঞতা থেকে আসা নিয়ম, অফিসিয়াল নয় সাইট কী নিয়ে তা বোঝা যায়
Search Console এ পেজ ইনডেক্স হয়েছে ভালো অভ্যাস সাইট যে চালু আর Google এর কাছে দৃশ্যমান, তা নিশ্চিত হয়

NShamimPRO এর ব্লগিং লাইভ প্রজেক্টে AdSense এর শর্ত ও প্রধান পলিসি নিয়ে আলাদা ক্লাস আছে, আর Privacy Policy পেজ বানাতে একটি জেনারেটর রিসোর্স হিসেবে দেওয়া আছে। জেনারেটর দিয়ে বানালেও নিজের সাইটের আসল তথ্য (কোন কুকি, কোন বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক) মিলিয়ে সম্পাদনা করুন।

Privacy Policy তে কী থাকবে, সে বিষয়ে Google AdSense Help এর required content পেজে নির্দিষ্ট কথা আছে। সারকথা: পাঠককে জানাতে হবে যে Google সহ তৃতীয় পক্ষের বিক্রেতারা কুকি ব্যবহার করে পাঠকের আগের ভিজিটের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন দেখায়, আর পাঠক Ads Settings এ গিয়ে পার্সোনালাইজড বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে পারেন। অন্য কোনো অ্যাড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলে সেটার কথাও লিখতে হয়।

ধাপে ধাপে আবেদন কীভাবে করবেন?

ধাপ ১: অ্যাকাউন্ট খুলুন

নিজের Google অ্যাকাউন্ট দিয়ে AdSense এ সাইন আপ করুন। পেমেন্টের নাম ও ঠিকানা যেন আপনার পরিচয়পত্রের সাথে মেলে, কারণ পরে ঠিকানা যাচাইয়ের PIN ডাকে আসে।

ধাপ ২: সাইট যোগ করুন

AdSense এ Sites মেনুতে গিয়ে নতুন সাইট যোগ করুন।

ধাপ ৩: সাইট যুক্ত করুন

Google তিনটি উপায় দেয়: AdSense code snippet সাইটের <head> অংশে বসানো, ads.txt ফাইলে আপনার publisher ID সহ লাইন যোগ করা, অথবা meta tag বসানো। WordPress এ হেডারে কোড বসাতে প্লাগইন ব্যবহার করা যায়, কোর্সে Ads Inserter প্লাগইন দিয়ে দেখানো হয়েছে।

ধাপ ৪: Request review দিন

সব সেটআপ কাজ শেষ না করে Request review দিলে সাইট রিভিউতে যায় না, “Getting ready” অবস্থাতেই আটকে থাকে। স্ট্যাটাসগুলো মানে: Getting ready মানে চেক চলছে, Ready মানে বিজ্ঞাপন দেখানো যাবে, Needs attention মানে কিছু ঠিক করতে হবে।

ধাপ ৫: EEA, UK ও সুইজারল্যান্ডের ট্রাফিক থাকলে CMP

এসব অঞ্চলের পাঠককে পার্সোনালাইজড বিজ্ঞাপন দেখাতে Google-certified CMP (কনসেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যাটফর্ম) লাগে। কোর্সে GDPR মেসেজ চালু করার ধাপ নিয়ে আলাদা লেসন আছে।

ল্যাপটপের স্ক্রিনে খোলা একটি অনলাইন ফর্ম, ধাপে ধাপে আবেদনের তথ্য পূরণের মতো

AdSense রিজেক্ট হলে কী করবেন?

  1. কারণটা পড়ুন: ইমেইল আর AdSense এর Sites পেজে যে কারণ দেখায় (যেমন Low value content বা Site down), সেটাই আপনার কাজের তালিকা।
  2. দুর্বল পোস্ট বাছুন: প্রতিটি পোস্টের পাশে লিখুন: এটা কি অন্য সাইট থেকে বেশি কিছু দেয়? না হলে আপডেট করুন, একাধিক ছোট পোস্ট একসাথে করুন, বা মুছে দিন।
  3. কারিগরি সমস্যা দেখুন: সাইট ডাউন থাকে কিনা, মোবাইলে ঠিকমতো খোলে কিনা, ভাঙা লিংক বা খালি ক্যাটাগরি আছে কিনা।
  4. কয়েক সপ্তাহ কাজ করে আবার রিভিউ চান: কিছু না বদলে বারবার Request review দিলে ফল সাধারণত একই আসে।

কনটেন্ট ছাড়াও Google এর পেজে আরও কয়েকটি কারণ আছে, যেগুলো নতুনরা প্রায়ই খেয়াল করেন না। Site down or unavailable মানে রিভিউয়ের সময় সাইট খোলেনি: হোস্টিং ডাউন, DNS ভুল, বা দেশভিত্তিক ব্লক। ট্রাফিকের উৎস নিয়েও প্রশ্ন ওঠে, যেমন সাইটে অস্বাভাবিক বা কেনা ট্রাফিক থাকলে। Unsupported language তখন আসে, যখন সাইটের মূল ভাষা AdSense এর সমর্থিত তালিকায় নেই, যদিও বাংলা সেই তালিকায় আছে। আর আগে থেকেই আপনার নামে একটি AdSense অ্যাকাউন্ট থাকলে নতুনটি ডুপ্লিকেট হিসেবে বাতিল হতে পারে, সেক্ষেত্রে পুরনো অ্যাকাউন্টেই নতুন সাইট যোগ করুন।

একটা কাল্পনিক উদাহরণ: একটি সাইটে ২৫টি পোস্ট আছে, যার ১০টি ৩০০ শব্দের কম আর খবরের সাইট থেকে সাজিয়ে লেখা। এখানে আরও ২০টি পোস্ট যোগ করার চেয়ে ওই ১০টিকে মুছে বা বড় করে নিজের অভিজ্ঞতা, ধাপ, টেবিল যোগ করা বেশি কাজের। মান ঠিক করার পদ্ধতি নিয়ে আরও আছে E-E-A-T লেখায়, আর AI দিয়ে লেখা নিয়ে Google এর অবস্থান আছে AI কনটেন্ট ও Google লেখায়।

অ্যাপ্রুভালের পর প্রথম সপ্তাহে কী ঠিক করবেন?

সাইট Ready হলেই কাজ শেষ নয়। প্রথম সপ্তাহে তিনটি জিনিস যাচাই করুন:

  • ads.txt: AdSense এর Sites পেজে ads.txt এর স্ট্যাটাস দেখুন। “Unauthorized” দেখালে বুঝবেন আপনার ads.txt ফাইলে publisher ID পাওয়া যায়নি। ফাইলটি ডোমেইনের রুটে থাকতে হয়, যেমন example.com/ads.txt।
  • Auto ads নাকি নিজে বসানো ad unit: Auto ads চালু করলে Google নিজে জায়গা বাছাই করে, শুরু করা সহজ। নিজে ad unit বসালে নিয়ন্ত্রণ বেশি, কিন্তু পরীক্ষা করতে সময় লাগে। কোর্সে বিজ্ঞাপন তৈরি ও প্লেসমেন্ট আলাদা ক্লাসে দেখানো হয়েছে।
  • পাঠকের অভিজ্ঞতা: মোবাইলে একটি পোস্ট খুলে দেখুন প্রথম স্ক্রিনে লেখা দেখা যায় কিনা। বিজ্ঞাপন এত বেশি হলে যে লেখা খুঁজতে হয়, পাঠক দ্রুত বেরিয়ে যায়, আর এতে দীর্ঘমেয়াদে ট্রাফিক ও আয় দুটোই কমতে পারে।

এক সপ্তাহ পর AdSense রিপোর্টে পেজ RPM আর Search Console এ ক্লিক পাশাপাশি দেখুন। বিজ্ঞাপন বসানোর পর ক্লিক বা গড় পজিশন হঠাৎ কমলে বিজ্ঞাপনের সংখ্যা কমিয়ে আবার মাপুন। একবারে একটি পরিবর্তন করুন, নইলে কোনটার প্রভাব কী, বোঝা যাবে না।

অ্যাপ্রুভালের পর কোন ভুলে অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিতে পড়ে?

AdSense Program policies এ কয়েকটি বিষয় খুব স্পষ্ট, আর এগুলো ভাঙলে বিজ্ঞাপন বন্ধ বা অ্যাকাউন্ট বন্ধ হতে পারে:

  • নিজের বিজ্ঞাপনে ক্লিক: যে কারণেই হোক, নিজের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা নিষেধ।
  • ক্লিকের অনুরোধ: “বিজ্ঞাপনে ক্লিক করুন”, “আমাদের সাপোর্ট করুন” জাতীয় কথা লিখে পাঠককে ক্লিকে উৎসাহ দেওয়া নিষেধ।
  • কৃত্রিম ট্রাফিক: paid-to-click, autosurf, click-exchange প্রোগ্রাম থেকে ট্রাফিক আনা নিষেধ। বন্ধুদের গ্রুপে “সবাই ঢুকে ক্লিক দাও” ধরনের প্রচারও একই ঝুঁকিতে ফেলে।
  • পপ-আপে বিজ্ঞাপন: Google বিজ্ঞাপন পপ-আপ বা পপ-আন্ডারে দেখানো যাবে না।

পূর্ণ তালিকা AdSense Program policies পেজে আছে।

এরপর কী করবেন

  1. অফিসিয়াল eligibility আর Program policies পেজ দুটো একবার পুরো পড়ুন।
  2. উপরের টেবিল ধরে সাইট নিজে অডিট করুন, দুর্বল পোস্টগুলোর তালিকা বানান।
  3. সাইট এখনো না থাকলে আগে WordPress ব্লগ সেটআপ শেষ করুন।
  4. অ্যাকাউন্ট তৈরি, পলিসি, বিজ্ঞাপন প্লেসমেন্ট আর GDPR সেটআপ NShamimPRO এর Blogging (AdSense ও Ezoic) Live Project কোর্সে ভিডিওতে দেখানো হয়েছে। রেকর্ডিংগুলো কয়েক বছর আগের, তাই AdSense এর মেনুর নাম বদলে থাকলে অফিসিয়াল হেল্প পেজ মিলিয়ে নিন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

AdSense রিভিউতে কতদিন লাগে?

Google এর হেল্প পেজ অনুযায়ী রিভিউ সাধারণত কয়েক দিনে শেষ হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে ২ থেকে ৪ সপ্তাহ লাগতে পারে। সেটআপ অসম্পূর্ণ থাকলে রিভিউ শুরুই হয় না।

সাবডোমেইন বা Blogger সাইট দিয়ে AdSense পাওয়া যায়?

Blogger এ আলাদা AdSense সংযোগের ব্যবস্থা আছে। যেকোনো ক্ষেত্রে শর্ত একই: কনটেন্ট মানসম্মত হতে হবে আর সাইটের কোডে আপনার অ্যাক্সেস থাকতে হবে।

AdSense থেকে টাকা কখন পাওয়া যায়?

আয় পেমেন্ট থ্রেশহোল্ডে পৌঁছালে পেমেন্ট হয়, USD অ্যাকাউন্টে যা ১০০ ডলার। তার আগে ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য ডাকে একটি PIN আসে, যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অ্যাকাউন্টে বসাতে হয়।

একাধিক সাইটের জন্য কি আলাদা AdSense অ্যাকাউন্ট লাগে?

না, একজনের একটিই অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে। নতুন সাইট একই অ্যাকাউন্টের Sites তালিকায় যোগ করতে হয়, আর প্রতিটি সাইট আলাদাভাবে রিভিউ হয়।

তথ্যসূত্র

বিষয়: Blogging and Affiliate